আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি মানুষের বিনোদনের অধিকার আছে — নিরাপদে, স্বচ্ছভাবে এবং নিজের ভাষায়। সেই ভাবনা থেকেই Joya Beat-এর যাত্রা শুরু।
কোন লক্ষ্য নিয়ে আমরা প্রতিদিন কাজ করি
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণায় — ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, সিলেট থেকে রাজশাহী — সব মানুষের কাছে নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং আনন্দময় অনলাইন গেমিং পৌঁছে দেওয়া। ভাষার বাধা দূর করে, সহজ পেমেন্টের মাধ্যমে Joya Beat চায় গেমিং যেন সত্যিকারের বিনোদন হয় — চাপ নয়।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত এবং খেলোয়াড়বান্ধব অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া। আমরা স্বপ্ন দেখি এমন একটি প্ল্যাটফর্মের, যেখানে প্রযুক্তি ও মানবিক স্পর্শের মিশেলে প্রতিটি সেশন হবে স্মরণীয় — এবং প্রতিটি সদস্য অনুভব করবেন তিনি পরিবারের অংশ।
Joya Beat কখনো শুধু ব্যবসার কথা ভাবে না। প্রতিটি সদস্যের নিরাপত্তা, তার জমা রাখা অর্থের সুরক্ষা এবং তার গেমিং অভিজ্ঞতার মান — এই তিনটিই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। দায়িত্বশীল গেমিংয়ের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতি অটল।
অনলাইন গেমিংয়ের দুনিয়ায় বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের জন্য সত্যিকারের ভালো কোনো প্ল্যাটফর্ম ছিল না — এই উপলব্ধি থেকেই Joya Beat-এর জন্ম। বেশিরভাগ আন্তর্জাতিক সাইট ইংরেজিতে, পেমেন্ট পদ্ধতি বিদেশি, সাপোর্ট টিম বাংলা বোঝে না। একজন সাধারণ বাংলাদেশি ব্যবহারকারীর পক্ষে সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে খেলা প্রায় অসম্ভব ছিল।
তাই একদল প্রযুক্তিপ্রেমী এবং গেমিং উৎসাহী একত্রিত হলেন এবং তৈরি করলেন Joya Beat — যেখানে সবকিছু বাংলাদেশের মানুষকে মাথায় রেখে ডিজাইন করা। বাংলা ইন্টারফেস, bKash ও Nagad-এ সরাসরি লেনদেন, বাংলায় কাস্টমার সাপোর্ট — এই তিনটি জিনিস দিয়ে Joya Beat শুরু থেকেই আলাদা হয়ে উঠল।
Joya Beat শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি একটি সম্প্রদায়। এখানে যারা কাজ করেন, তাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশি। তারা জানেন এদেশের মানুষ কীভাবে ক্রিকেট দেখেন, ঈদের রাতে কেমন আনন্দ খোঁজেন, আর মোবাইলে গেম খেলার সময় কোন বিষয়গুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন।
Joya Beat-এর প্রতিটি ফিচার ডিজাইন করার আগে ব্যবহারকারীদের মতামত নেওয়া হয়। কোনো সিদ্ধান্ত শুধু কর্পোরেট বোর্ডরুম থেকে আসে না। মাঠপর্যায়ের ফিডব্যাক, সাপোর্ট টিকিটের ধরন, খেলোয়াড়দের অভিযোগ — সবকিছু বিশ্লেষণ করে প্ল্যাটফর্ম ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।
Joya Beat প্রতিনিয়ত প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করছে। গেম লোড যেন দ্রুত হয়, লাইভ বেটিংয়ের অডস যেন রিয়েল-টাইমে আপডেট হয়, মোবাইলে খেলার অভিজ্ঞতা যেন ডেস্কটপের চেয়ে কম না হয় — এসব নিশ্চিত করতে আমাদের টেক টিম দিনরাত কাজ করে।
Joya Beat-এর সার্ভার ইনফ্রাস্ট্রাকচার এমনভাবে তৈরি যে বড় কোনো ম্যাচের রাতেও — যেমন বাংলাদেশ বনাম ভারত — হাজার হাজার মানুষ একসাথে লাইভ বেটিং করলেও সিস্টেম ধীর হয় না। এই স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাটা আমাদের কাছে অনেক বড় অগ্রাধিকার।
Joya Beat-এ কোনো লুকানো চার্জ নেই। উইথড্রলের শর্তাবলী স্পষ্ট ভাষায় লেখা। বোনাসের নিয়মকানুন সহজে বোঝা যায়। আমরা বিশ্বাস করি স্বচ্ছতাই দীর্ঘমেয়াদী বিশ্বাসের ভিত্তি। যদি কোনো সদস্য কোনো বিষয়ে বুঝতে না পারেন, আমাদের সাপোর্ট টিম বাংলায় বিস্তারিত বুঝিয়ে দেবে।
সব গেমে সার্টিফাইড RNG (Random Number Generator) ব্যবহার হয়। এর মানে কোনো গেমের ফলাফলে কোনো ম্যানিপুলেশন নেই। তৃতীয় পক্ষের অডিটরদের দিয়ে নিয়মিত যাচাই করা হয় যে সব গেমের RTP তথ্য সঠিক আছে কিনা।
Joya Beat-এ গেমিং লিমিট সেট করার সুবিধা আছে। সদস্যরা নিজেরাই ডিপোজিট লিমিট, সেশন টাইম লিমিট বা কুলিং অফ পিরিয়ড চালু করতে পারেন। আমরা জানি গেমিং কখনো কখনো নেশায় পরিণত হতে পারে। সেটি ঠেকাতে আমাদের টিম সক্রিয়ভাবে কাজ করে।
কোনো সদস্য যদি মনে করেন তার গেমিং অভ্যাস নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাচ্ছে, তাহলে সাপোর্ট টিমে যোগাযোগ করলে তাকে সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়া হবে। Joya Beat চায় প্রতিটি সদস্য দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ ও আনন্দময় গেমিং জীবন উপভোগ করুন।
৬টি কারণ যা আমাদের আলাদা করে
Joya Beat-এর পুরো ইন্টারফেস বাংলায়। গেম লবি, পেমেন্ট পেজ, সাপোর্ট চ্যাট — সবকিছু মাতৃভাষায়। ভাষার কারণে কোনো সুবিধা মিস করতে হবে না।
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। Joya Beat-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম মোবাইল-ফার্স্ট চিন্তায় তৈরি। ধীর নেট সংযোগেও গেম চলে মসৃণভাবে।
বিদেশি কার্ড বা ব্যাংক ট্রান্সফারের ঝামেলা নেই। Joya Beat-এ সরাসরি bKash, Nagad ও Rocket দিয়ে ডিপোজিট ও উইথড্রল করা যায় — মাত্র কয়েক মিনিটে।
২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন, টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন এবং অ্যান্টি-ফ্রড সিস্টেম দিয়ে আপনার একাউন্ট ও অর্থ সুরক্ষিত রাখা হয়।
নতুন সদস্যদের জন্য ওয়েলকাম বোনাস, প্রতিদিনের ক্যাশব্যাক, উইকলি রিলোড বোনাস এবং বিশেষ ইভেন্টে এক্সক্লুসিভ অফার পাবেন।
রাত ২টায়ও কোনো সমস্যা হলে লাইভ চ্যাটে বাংলায় সাপোর্ট পাবেন। গড় রেসপন্স টাইম ৩ মিনিটের কম।
ছোট্ট একটি স্বপ্ন থেকে বাংলাদেশের শীর্ষ গেমিং প্ল্যাটফর্ম
একটি ছোট্ট টিম নিয়ে বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের কথা মাথায় রেখে প্ল্যাটফর্মটি তৈরির কাজ শুরু হয়। প্রথম বেটা ভার্সনে ৫০০ সদস্য।
bKash পেমেন্ট সংযুক্ত হওয়ার পর সদস্য সংখ্যা রাতারাতি বাড়তে শুরু করে। বাংলাদেশের মানুষ যে এটাই চাইছিলেন, সেটা স্পষ্ট হলো।
Evolution Gaming ও Ezugi-এর সাথে চুক্তির মাধ্যমে লাইভ ক্যাসিনো সেকশন চালু হয়। লাইভ বেটিং ফিচারও এই বছর আসে।
Android ও iOS অ্যাপ বের হওয়ার পর Joya Beat-এর সদস্য সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়ে যায়। অ্যাপে এক্সক্লুসিভ বোনাস চালু হয়।
আজ Joya Beat বাংলাদেশের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি। ৩,২০০+ গেম, ২০+ স্পোর্টস এবং ২৪/৭ বাংলা সাপোর্ট।
পর্দার পেছনের মানুষগুলো
১২ বছরের ফিনটেক অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশের গেমিং ইন্ডাস্ট্রিকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার স্বপ্ন দেখেন।
BUET থেকে পাস করা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। Joya Beat-এর পুরো টেক স্ট্যাক তার হাতে গড়া।
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেন। Joya Beat-এর প্রতিটি স্ক্রিন তার নজর এড়ায় না।
৫০+ জনের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। প্রতিটি সদস্যের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করা তার কাজ।
Joya Beat কেবলমাত্র ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের ব্যক্তিদের জন্য। গেমিং আনন্দের জন্য, আয়ের নিশ্চিত উৎস নয়। সমস্যা অনুভব করলে দায়িত্বশীল খেলা পেজ দেখুন।
আমাদের গল্প পড়লেন। এবার নিজেই অনুভব করুন — নিবন্ধন করুন, অ্যাপ ডাউনলোড করুন এবং Joya Beat-এর অভিজ্ঞতা নিন।